Gunah

দুরুদ শরীফের বর্ণনা

উৎস:
ইসলাহী নেসাব: যাদুস সাঈদ
হাকীমুল উম্মত মুজাদ্দিদে মিল্লাত, মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (র:)

মাশাইখে কেরাম থেকে তো শত শত দুরুদ শরীফ বর্ণিত আছে। ‘দালাইলুল খাইরাত’ তার একটি নমুনা। তবে এখানে শুধুমাত্র হাকীকী বা হুকমী ‘মরফু’ হাদীসে যে সমস্ত সালাত ও সালাম (দুরুদ শরীফ) বর্ণিত হয়েছে, তার মধ্যে থেকে চল্লিশটি লেখা হচ্ছে। পঁচিশটি ‘সালাত’ এবং পনেরটি ‘সালাম’ সম্বলিত। এতে করে দুরুদ শরীফ সংক্রান্ত ‘চল্লিশ হাদীস’ হয়ে গেলো। যার সম্পর্কে হাদীস শরীফে সুসংবাদ এসেছে যে, যে ব্যক্তি দ্বীন সংক্রান্ত চল্লিশটি হাদীস আমার উম্মতের নিকট পৌঁছাবে, আল্লাহ তাআলা তাকে হাশরের ময়দানে আলেমদের দলভুক্ত করে উঠাবেন এবং আমি তার জন্য সুপারিশকারী হবো।
কুরআন-হাদীসে দুরুদ শরীফের হুকুম এসেছে বিধায় এটি যে দ্বীনী বিষয়, তা সুস্পষ্ট। তাই এ চল্লিশ হাদীস সংকলন করায় দ্বিগুণ সওয়াবের আশা রয়েছে। (এক. দুরুদ শরীফের সওয়াব। দুই. চল্লিশ হাদীসের সওয়াব)
দুরুদ শরীফ সম্বলিত হাদীস লেখার পূর্বে বরকতের জন্য কুরআন শরীফের দু’টি আয়াত লেখা হচ্ছে। যার মধ্যে ‘সালাম’ উল্লেখ থাকলেও শব্দের ব্যাপকতার ফলে এর মধ্যে ‘সালাত’ও শামিল রয়েছে।
দুরুদ শরীফ সম্বলিত হাদীসসমূহ লেখার পর দু’জন সাহাবী এবং একজন তাবিয়ী থেকে তিনটি দুরুদ শরীফ লেখা হবে। তাই সব মিলে পঁয়তাল্লিশটি দুরুদ শরীফ হবে। কোন ব্যক্তি যদি প্রতিদিন এ দুরুদগুলো পড়ে, তাহলে প্রত্যেক দুরুদ শরীফের পৃথক পৃথক যত ফযীলত ও বরকত রয়েছে, তার সবই সে লাভ করতে পারবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *